প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আবেদনের তিন মাসের মধ্যে!

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আবেদনের তিন মাসের মধ্যে!এই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়েছেন আতিক এস বি সাত্তার, সহকারী পরিচালক (নিয়োগ শাখা), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নিম্নে প্রশ্ন এবং উত্তর গুলো দেয়া হলো।

প্রশ্নঃ প্রাথমিক শিক্ষক পরীক্ষা ২০২০ কোন পদ্ধতিতে হবে? কোন অংশে কত নম্বর?

উত্তরঃ লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা লিখিত আকারে নেওয়াটা বেশ জটিল। সে কারণে এমসিকিউ পদ্ধতিতেই পরীক্ষা হবে। এমসিকিউতে ৮০ নম্বর। এমসিকিউতে যাঁরা পাস করবেন, তাঁদের মৌখিক পরীক্ষায় (২০ নম্বর) অংশ নিতে হবে।

প্রশ্নঃ পরীক্ষা কয় মাস পর হওয়ার সম্ভাবনা? নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে কেমন সময় লাগতে পারে?

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD এর চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস!সাথে আছে আরো অ্যাপ অফার: - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস .সর্বমোট ১৫০ টাকা বোনাস পাবেন একজন বিকাশ গ্রাহক। এছাড়া যারা একাউন্ট খুলেছেন তারাও বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! Bkash App Download Link

উত্তরঃ আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে মাস তিনেকের মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়ার। আর পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া আগামী অর্থবছরের আগে অর্থাৎ জুন মাসের মধ্যে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। পরবর্তী প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতির কারণে এর হেরফের হতে পারে।

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আবেদনের তিন মাসের মধ্যে!

প্রশ্নঃ পরীক্ষা কী উপজেলাভিত্তিক হবে? মানে একেক উপজেলায় একেক সময়?

উত্তরঃ পরীক্ষা অবশ্যই উপজেলাভিত্তিক হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে গেলে এটাই সবচেয়ে ভালো উপায়।

প্রশ্নঃ এবারের নিয়োগের কোটা সম্পর্কে বলুন—

উত্তরঃ এবারের নিয়োগে ৬০ শতাংশ নারী কোটা, ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটার ১২ শতাংশ নারী কোটায় (অর্থাৎ ৬০ শতাংশ নারী কোটার মধ্যে এই ১২ শতাংশ বিজ্ঞান কোটাও অন্তর্ভুক্ত আছে), ৪ শতাংশ পুরুষ কোটায় এবং ৪ শতাংশ পোষ্য কোটায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

প্রশ্নঃ একটি উপজেলায় যে পরিমাণ পদ খালি আছে, তার কত গুণ বেশিসংখ্যক প্রার্থীকে এমসিকিউ পরীক্ষায় টেকানো হবে?

উত্তরঃ এটা মূলত পরীক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা, শূন্য পদের সংখ্যাসহ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কিত। এর আগের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে লিখিত পরীক্ষা থেকে শূন্য পদের চেয়ে ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি প্রার্থী নেওয়া হয়েছিল।

সচরাচর জিজ্ঞাসার উত্তর, আতিক এস বি সাত্তার, সহকারী পরিচালক (নিয়োগ শাখা), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর.

Kalerkantho online

Educations in BD ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

Leave a Reply