বেসরকারি স্কুল-কলেজে ও মাদ্রাসায় ৮০ হাজারের মতো পদ শূন্য

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষায় কয়েক লাখ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি ও মামলা জটে আটকে আছে এসব নিয়োগ। গত তিন বছরে কারো নিয়োগই হয়নি। এরই মধ্যে অনেকের চাকরির বয়স পেরিয়ে গেছে। সময় যত গড়াবে, চাকরিতে প্রবেশের যোগ্যতা হারাবেন অনেকেই। এ কারণে প্রার্থীরা চিন্তিত, শঙ্কিত। যদিও দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজে ও মাদ্রাসায় ৮০ হাজারের মতো পদ শূন্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষকসংকটে শিক্ষার মানও নেমে যাচ্ছে।

এ পর্যন্ত দুটি গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে দুই দফায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে এনটিআরসিএ। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে নিয়োগ পেয়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক। এখন তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি জারির অপেক্ষায় এনটিআরসিএ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১৫তম নিবন্ধিত মেধাতালিকায় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭ জন রয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮২১ জনের বয়স ৩৫ বছর পার হওয়ায় তারা নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন না। আবার অনেকে বিভিন্ন চাকরি নিয়ে চলে গেছেন। গণবিজ্ঞপ্তির জন্য নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৩৬০টি এবং এখন পর্যন্ত নতুন প্রায় ২২ হাজারসহ প্রায় ৮০ হাজার শূন্যপদের শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীরা অপেক্ষা করছেন। গত জানুয়ারি মাসে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা হয়নি।

যে কারণে নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা :

বিকাশ এপ ডাউনলোড করে লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস, সাথে ৫০ টাকা বোনাস একদম ফ্রী - Bkash App Download Link শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD এর চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

প্রতি বছরই সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও গেল তিন বছরে একজন শিক্ষকও নিয়োগ দিতে পারেনি তারা। জানা গেছে, ২০১৭ সালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। নিবন্ধিত প্রার্থীদের ওই তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে এমপিও নীতিমালা-২০১৮ প্রণয়ন করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে নেওয়া এনটিআরসিএর ১৩তম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ চাকরি প্রার্থীর মধ্যে থেকে শূন্যপদের অনুকূলে ১৭ হাজার ২৫৪ শিক্ষার্থীকে পিএসসির আদলে তিন ধাপে পরীক্ষা নিয়ে বাছাই করে এ প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় তাদের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য নির্দেশনা দেয়।

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি জারির ঠিক আগে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনে চাকরিবঞ্চিত ২ হাজার ২০০ জন হাইকোর্টে মামলা করেন। মামলায় রায় তাদের পক্ষে গেলে ঐ শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। কিন্তু এনটিআরসিএ নিয়োগ না দিয়ে রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করে।

এ ক্ষেত্রে এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু কোর্টের রায়ে সমন্বিত মেধা তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে, তাই শুধু ১৩তম ব্যাচের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে গেলে তা রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। ফলে এখন সমন্বিত মেধা তালিকার মধ্যে সবাই প্রবেশ করেছে। এ জন্য আমরা রিভিউতে বলেছি একটি ব্যাচকে নিয়োগ দিলে বাকিরা মামলা করতে কোর্টে যাবে। বিষয়টি নিয়ে রিভিউ আবেদন করেছে এনটিআরসিএ। রিভিউ রায়ের ওপর নির্ভর করছে এনটিআরসিএ কী করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্য পদের তালিকা নেওয়া হবে। এছাড়া এনটিআরসিএ রিভিউ করেছে। আশা করছি জানুয়ারিতে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব হবে।

Educations in BD ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel Grameenphone এর মাইজিপি এপ ডাউনলোড করে জিতে নিন ৩ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট এবং ফ্রি পয়েন্ট MyGP App Download Now

Leave a Reply