বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ প্রকাশ। বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল পদে নতুন নিয়োগ ২০১৯। পুলিশ কনস্টেবল পদে নতুন নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি  রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগের লক্ষ্যে ৬,৮০০ জন পুরুষ ও ২,৮৮০ জন নারী সর্বমােট ৯,৬৮০ জন প্রার্থীকে বাছাই করা হবে। Bangladesh police constable job circular 2019

আগ্রহী প্রার্থীদের শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষাসহ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত তারিখ ও সময়ে তাদের নিজ জেলা পুলিশ লাইনস্-এ (যে জেলার স্থায়ী বাসিন্দা) প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদিসহ উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান করা যাচ্ছে।

আরো পড়ুন- পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রস্তুতি নিবেন যেভাবে  

প্রার্থীর যােগ্যতা :

ক. বয়স :

•সাধারণ/অন্যান্য কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন।
১৯৯৯ পর্যন্ত) হতে হবে;

•মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৪ তারিখে বয়স ১৮ হতে ৩২ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৮৭ পর্যন্ত) হতে হবে। তবে মুক্তিযােদ্ধার সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন
২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৯৯ পর্যন্ত) হতে হবে;

উল্লেখ্য, এসএসসি/সমমানের সার্টিফিকেটে উল্লিখিত জন্ম তারিখই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বয়স গণনার ক্ষেত্রে কোনাে অ্যাফিডেভিট বা হলফনামা গ্রহণযােগ্য হবে না।

খ. শিক্ষাগত যােগ্যতা : এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে (কমপক্ষে জিপিএ ২.৫/সমমান)।

গ. জাতীয়তা : প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে এবং যে জেলার স্থায়ী বাসিন্দা সেই জেলাতেই ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগের জন্য উপস্থিত হতে হবে।

ঘ. বৈবাহিক অবস্থা : অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে (তালাকপ্রাপ্ত/তালাকপ্রাপ্তা নয়)।

শারীরিক মাপ, শারীরিক পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি

ঙ. শারীরিক মাপ :

সাধারণ ও অন্যান্য কোটা (পুরুষ) : উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি বা ১.৬৭৬৪ মিটার এবং বুক স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি বা ০.৭৮৭৪ মিটার এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি বা ০.৮৩৮২ মিটার হতে হবে ।

মুক্তিযােদ্ধা কোটা (পুরুষ) : শুধুমাত্র মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধার সন্তানদের পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি বা ১.৬২৫৬ মিটার এবং বুক স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি বা ০.৭৬২০ মিটার এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি বা ০.৭৮৭৪ মিটার হতে হবে। তবে মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধার সন্তানের সন্তানদের পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ও অন্যান্য কোটার পুরুষ প্রার্থীদের উচ্চতা ও বুকের মাপের শর্ত প্রযােজ্য হবে ;

ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী কোটা (পুরুষ) : উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি বা ১.৬২৫৬ মিটার এবং বুক স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি বা ০,৭৮৭৪ মিটার এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি বা ০.৮৩৮২ মিটার হতে হবে :

নারী প্রার্থী (সকল কোটা) : উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি বা ১.৫৭৪৮ মিটার হতে হবে ।

ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমােদিত পরিমাপের হতে হবে (বডি মাস ইনডেক্স অনুযায়ী)।

শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকালে প্রার্থীদের নিম্নবর্ণিত কাগজপত্রাদি সঙ্গে আনতে হবে

•শিক্ষাগত যােগ্যতার সনদপত্র/সময়িক সনদপত্রের মূল কপি ।

•সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদপত্রের মূল কপি ।

•জেলার স্থায়ী বাসিন্দা/জাতীয়তার প্রমাণস্বরূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র/ওয়ার্ড কাউন্সিলর (যা প্রযােজ্য)-এর নিকট হতে স্থায়ী নাগরিকত্বের সনদপত্রের মূল কপি।

•প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি, যদি প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর পিতা/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি ।

•সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ৩ (তিন) কপি সদ্য তােলা পাসপাের্ট সাইজের রঙিন ছবি ।

•“পরীক্ষার ফি ১০০/-(একশত) টাকা ১-২২১১-০০০০-২০৩১” অথবা “১২২০৪০১১০৫৯৫৪১৪২২৩২৬” নম্বর কোডে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমাপূর্বক চালানের মূল কপি ।

মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুক্তিযােদ্ধার সন্তান সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রমাণ স্বরুপ –

(i)সংশ্লিষ্ট মুক্তিযােদ্ধার নাম লাল মুক্তিবার্তায় থাকলে লাল মুক্তিবার্তার সত্যায়িত অনুলিপি; অথবা,
(ii) সংশ্লিষ্ট মুক্তিযােদ্ধার নাম ভারতীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকলে ভারতীয় তালিকার সত্যায়িত অনুলিপি; অথবা,
(iii) সংশ্লিষ্ট মুক্তিযােদ্ধার নামে জারীকৃত গেজেট ও সাময়িক সনদ; অথবা,
(iv) সংশ্লিষ্ট মুক্তিযােদ্ধার নামে জারীকৃত গেজেট ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরিত বাংলাদেশ মুক্তিযােদ্ধা সংসদ (বামুস) কর্তৃক প্রদত্ত সনদ; অথবা,
(v) গেজেট, সাময়িক সনদ ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ (বামুস) কর্তৃক প্রদত্ত সনদ।

•মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধার সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট-এর নিকট সম্পাদিত অ্যাফিডেভিট অথবা বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সাকসেশন সাটিফিকেট এবং প্রার্থী যে মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধার পুত্র-কন্যার ঔরসজাত পুত্র-কন্যা এই মর্মে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র/ওয়ার্ড কাউন্সিলর (যা প্রযােজ্য) কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের মূল কপি ।

•কনস্টেবল হতে সর্বোচ্চ সাব-ইন্সপেক্টর/সার্জেন্টি/টিএসআই পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার সন্তানগণের পুলিশ পোষ্য কোটার প্রাধিকার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পিতা/মাতার নাম, পদবি (বিপি নম্বরসহ) উল্লেখপূর্বক কর্মরত জেলা ইউনিট প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্রের মূল কপি (যদি পুলিশ পােষ্য কোটার কোনাে প্রার্থীর পিতা/মাতা অবসর/মৃত্যুবরণ করে থাকেন, তা হলে উক্ত প্রার্থীর পিতা/মাতার সর্বশেষ কর্মস্থলের ইউনিট প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের মূল কপি)।

•আনসার ও ভিডিপি গেটর প্রার্থীদের জন্য ৪২ (বিয়াল্লিশ) দিন মেয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সনদপত্রের মূল কপি ।

•এতিম কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি ও সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত এতিমখানার প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র/প্রশংসাপত্র-এর মূল কপি, যাতে প্রার্থী। এতিম এবং প্রার্থীর পূর্বকালীন স্থায়ী ঠিকানা এবং এতিমখানা নিবাসের নিবন্ধনকৃত ব্যক্তিগত নন্দরাও উল্লেখ থাকতে হবে ।

•ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্রের মূল কপি।

•সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় চাকরিরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র।

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি Download 

পরীক্ষা পদ্ধতি :

ক. শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষা ও প্রার্থীদের প্রথমে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে বিধি মােতাবেক শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় (দৌড়, রােপিং ও জাম্পিং ইত্যাদি) অংশগ্রহণ করতে হবে। উক্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অনুকূলে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার
প্রবেশপত্র ইস্যুকরণসহ লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণপূর্বক প্রার্থীদের অবহিত করবেন। উল্লেখ্য, লিখিত, মনস্তাত্নিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীকে অবশ্যই মূল প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে ।

খ. লিখিত পরীক্ষা ও শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্ধারিত তারিখে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময়ের ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করতে হবে। উক্ত পরীক্ষা নত ৪৫ নম্বর প্রান্ত প্রার্থীগণ লিখিত পরীক্ষায় উর্ণ বলে বিবেচিত হবেন ।

গ. মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে নির্ধারিত তারিখে ২০ নম্বরের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে
হবে। এ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪৫% নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীগণ মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবেন।

কোটা পদ্ধতি :

প্রার্থী নির্বাচনে সরকার কর্তৃক জারীকৃত বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি (সাধারণ, মুক্তিযােদ্ধা, আনসার ও ভিডিপি, এতিম, পােষ্য এবং ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী ইত্যাদি
কোটা) অনুসরণ করা হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি :

ক. প্রতি জেলায় নিয়ােগযােগ্য প্রকৃত শূন্য পদে কোটার অনুকূলে লিখিত, মনস্তাত্তিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী
প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হবে ।

খ. পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যােগ্য বিবেচিত হলে প্রার্থীকে প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে মনােনীত করা হবে। উল্লেখ্য,
পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরমে কোনাে তথ্য গােপন অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হলে চূড়ান্ত প্রশিক্ষণের জন্য মনােনয়ন প্রদান করা হবে না ।

গ. প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীগণকে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যােগদানের পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত পুর্ণাছাই কমিটি কর্তৃক শারীরিক যােগ্যতাসহ অন্যান্য তথ্যাদি যাচাইয়ের পর চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রশিক্ষণ :

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত পুনর্বহাই কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত বাছাইকালে যােগ্য বিবেচিত প্রার্থীগণকে নির্ধারিত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে
ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) হিসেবে ৬ (ছয়) মাস মেয়ালি মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।

প্রশিক্ষণকালীন সুযােগ সুবিধা :

ক. ট্রইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে প্রশিক্ষণকালীন বিনামূল্যে পােশাক সামগ্রীসহ থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসা সুবিধা প্রাপ্য হবে ;

খ. এ ছাড়া প্রশিক্ষণকালীন সরকারি বিধি মােতাবেক প্রতি মাসে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রাপ্য হবে।

নিয়ােগ ও চাকরির সুবিধাদি :

ক. সাফল্যের সাথে প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর ২০১৫ সনের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৭তম গ্রেড  ৯,০০০ – ২১,৮০০/- টাকা এবং বিধি মােতাবেক প্রাপ্য
অন্যান্য বেতন-ভাতাদিসহ বাংলাদেশ পুলিশে কনেস্টবল পদে নিয়ােগ প্রদান করা হবে ।

খ. নিয়ােগপ্রাপ্তদের যে কোনাে জেলা/ইউনিটের শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হলে, তারা উক্ত জেলা/ইউনিটে কনস্টেবলের শূন্য পদে যােগদান করতে বাধ্য থাকবে।

গ. ঐইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নির্বাচিত প্রার্থীর মৌলিক প্রশিক্ষণ সফলভাবে সমাপনান্তে জেলা/ইউনিটে যােগদানের তারিখ হতে সংশ্লিষ্ট জেলা/ইউনিট প্রধান কর্তৃক তার শিক্ষানবিশকাল ঘোষণা করা হবে। শিক্ষানবিশ ঘােষণার তারিখ হতে দুই বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট জেলা/ইউনিট প্রধান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তাকে কনস্টেবল পদে স্থায়ী করা হবে ।

ঘ. বিনামূল্যে পােশাক সামগ্রী, কুকি ভাতা, চিকিৎসা সুবিধা এবং নিজ ও পরিবারের নির্ধারিত সংখ্যক সদস্যদের জন্য প্রাপ্যতা অনুযায়ী পারিবারিক
রেশন সামগ্রী স্বল্প মূল্যে প্রাপ্য হবে; এবং প্রচলিত নিয়মানুযায়ী উচ্চতর পদে পদোন্নতিসহ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার সুযােগ রয়েছে।

সাধারণ নির্দেশনাবলি :

ক. কর্তৃপক্ষ সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ােগযােগ্য পদের সংখ্যা হ্রাস/বৃদ্ধি করার অধিকার সংরক্ষণ করেন ।

খ. শিক্ষাগত যােগ্যতা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রার্থী কর্তৃক প্রদেয় তথ্যাদি সম্পর্কে তদন্তে কিংবা তদন্ত।পরবর্তীকালে কোনাে বিরূপ প্রতিবেদন পাওয়া গেলে উক্ত প্রার্থীকে প্রশিক্ষণ হতে অব্যাহতি/চাকরিচ্যুত/চাকরি হতে বরখস্তরণসহ প্রয়ােজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

গ. মুক্তিযােদ্ধা কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের পিতা/মাতা/পিতামহ/পিতামহী/মাতামহ/মাতামহী-এর অনুকূলে দাখিলকৃত প্রমাণসমূহ
যাচাইত্ৰস্তে সঠিক পাওয়া না গেলে তাদের প্রশিক্ষণ হতে অব্যাহতি/’চাকরিচ্যুত/চাকরি হতে বরখাস্তকরণসহ প্রয়ােজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা.হবে। উল্লেখ্য, মুক্তিযােদ্ধা কোটায় প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত মুক্তিযােদ্ধা সনদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে একবার জাল প্রমাণিত হলে তা
পুন্যাচাইয়ের কোনাে সুযােগ থাকবে না।

ঘ. চাকরিতে প্রবেশকালীন প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত কাগজপত্রাদি (বিভিন্ন সনদ/প্রত্যয়নপত্র) ব্যতিরেকে নিয়ােগ কার্যক্রম সম্পন্নের পর ইস্যুকৃত বা
নতুনভাবে অন্য কোনাে কাগজপত্রাদির ভিত্তিতে কনস্টেবল পদে নিয়ােগ প্রদানের কোনাে সুযােগ নেই।

ঙ. সমযােগ্যতার ক্ষেত্রে মধুমপায়ীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে ।

চ. ক্রটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ/বিলম্বে প্রাপ্ত/ভুল তথ্য কিবা মিথ্যা তথ্য সংবলিত আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের জন্য চূড়ান্তভাবে
নির্বাচিত/নিয়ােগকৃত/প্রশিক্ষণরত/চাকরিরত অর্থাৎ যে কোনাে পর্যায়ে কোনাে প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত তথ্য মিথ্যাল/প্রার্থীর কোনাে প্রতারণা প্রমণিত
হলে তাকে নিয়ােগের অযােগ্য/বহিষ্কার/চাকরিচ্যুত/বরখাস্তণসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

ছ.কোনাে কারণ দর্শানাে ব্যতিরেকে কর্তৃপক্ষ যে কোনাে প্রার্থীর নিয়ােগ/আবেদনপত্র বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করেন। নিয়ােগ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে; এবং

জ. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কোনাে প্রকার ভাতা প্রদান করা হবে না।

“জননিরাপত্তা বিধান ও সেবার মহান ব্রত নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যােগ দিন” বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ ।  বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ। পুলিশ কনস্টেবল পদে নতুন নিয়োগ।