SSC পরীক্ষার ফলাফল ২০২০ নাম্বার সহ দেখুন

SSC পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২০ নাম্বার সহ দেখুন । ২০২০ সালের মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল — এস এস সি রেজাল্ট 2020  দিবে মে মাসের ৩১ তারিখে দুপুর ১ টায় সারা দেশে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে এবার পাশের হার—- শতাংশ। দুপুর দুইটার পর থেকে ইন্টারনেট, মোবাইলের এসএমএস মাধ্যমে ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ফল প্রকাশ করা হয়। SSC Exam Result 2020

সকাল ১০টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।

এস এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২০২০ অনলাইনে আমাদের সাইট এডুকেশন্স ইন বিডি থেকেও জানা যাবে। এছাড়া 2020 সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত সর্বশেষ সব তথ্য জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন educationsinbd‘তে।SSC পরীক্ষার রেজাল্ট ২০১৯ নাম্বার সহ দেখুন

SSC পরীক্ষার রেজাল্ট নাম্বার সহ দেখুন অনলাইনে এখানে

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD এর চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস!সাথে আছে আরো অ্যাপ অফার: - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস .সর্বমোট ১৫০ টাকা বোনাস পাবেন একজন বিকাশ গ্রাহক। এছাড়া যারা একাউন্ট খুলেছেন তারাও বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! Bkash App Download Link

মোবাইলে এস এম এস এর মাধ্যমে এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল ২০২০ জানার পদ্ধতিঃ

•যে কোন মোবাইল অপারেটর এর মেসেজ অপশন এ গিয়ে লিখতে হবে SSC .এরপর একটি স্পেস দিয়ে আপনার বোর্ড এর প্রথম তিন টি অক্ষর লিখতে হবে।

যেমনঃ
DHA = Dhaka Board | COM = Comilla Board | RAJ = Rajshahi Board | JES = Jessore Board | CHI= Chittagong Board | BAR = Barisal Board | SYL = Sylhet Board | DIN = Dinajpur Board | MAD = Madrassah Board | TEC= Technical Board

•এরপর, একটি স্পেস দিন এবং আপনার রোল নম্বরটি লিখুন।
•এবার একটি স্পেস দিয়ে আপনার পরীক্ষার সাল অর্থাৎ ২০২০ লিখুন।
যেমন:

SSC <স্পেস>DIN<স্পেস> 123456 <স্পেস> 2020 এবং মেসেজ টি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

SMS পদ্ধতি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্যঃ

Dakhil<Space>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<Space>রোল নম্বর<Space>পাশের বছর এরপর পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

উদাহরণঃ
Dakhil MAD 123456 2020 পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

এসএসসি ভোকেশনালের জন্যঃ

SSC<Space>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<Space>রোল নম্বর<Space>পাশের বছর

পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

উদাহরণঃ
SSC Tec 123456 2020 পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

এস এস সি ফলাফল কবে দিবে?

এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ এর তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা গত ০১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৪ মার্চ শেষ হয়। আর ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ০৪ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এসএসসি পরীক্ষায় ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৯ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৩ হাজার ২১২ এবং ছাত্রী ১০ লাখ আট হাজার ৬৮৭ জন।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মাথায় গত কয়েক বছর থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার ৩১ মে ফল দিবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিগত কয়েক বছর এর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান…

২০১৯ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যানঃ

এবার সারাদেশে ২০ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে পাস করে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী, যা গড়ে ৭৭.৭৭ শতাংশ। এরমধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ৭৬.৭১ শতাংশ, আর ছাত্রীর পাসের হার ৭৮.৮৫ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ৫৫ হাজার ৭০১ জন ছাত্র, আর ৫৪ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে এবার অংশ নেয় ২ লাখ ৮৬ হাজার ২০৬ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাসের হার ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩৭১ জন। কারিগরি বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৪ জন। এরমধ্যে পাস করে ৮২ হাজার ৯১৭ জন, যা গড়ে ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ শিক্ষার্থী।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০১৮ সালে পাসের হার ছিলো ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ যা ২০১৬ সাল এর তুলনায় ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ কম। ২০১৭ সালে জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলো ১ লাখ ৪ হাজার ৭’শ ৬১ জন।

২০১৮ সালে উক্ত পরীক্ষায় ২৮ হাজার ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিন হাজার ২৩৬টি কেন্দ্রে ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা নয় লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন এবং ছাত্রী আট লাখ ৭৬ হাজার ১১২ জন।

আটটি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন। এরমধ্যে ছাত্র সাত লাখ দুই হাজার ২৯৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ছিলো সাত লাখ ২৩ হাজার ৬০১ জন।
মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলো দুই লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) এক লাখ চার হাজার ২১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

৮টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা, কারিগরি বোর্ডের মিলিত ফলাফল

সব মিলিয়ে ১০ বোর্ডে মিলিতভাবে ২০১৭ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৯৬২ জন। যার মধ্যে পাস করে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। ২০১৭ সালে ১০ বোর্ডে পাসের হার ছিলো ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাশের হার ছিলো ৮৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ কম পাস করে।

২০১৭ সালে সব বোর্ড মিলিয়ে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। জিপিএ-৫ বা এ-প্লাস কমেছিলো ৫ হাজার।

৮টি সাধারণ বোর্ড বা এসএসসির ফলাফল

৮টি সাধারণ বোর্ড বা এসএসসিতে ২০১৮ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৪ লাখ ২২ হাজার ৩৮৯ জন পরীক্ষার্থী। যার মধ্যে পাস করে ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮ জন। গড় পাস ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০১৭ সালে পাসের হার কমে ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

২০১৭ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পায় ৯৭ হাজার ৯৬৪ জন। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৯৬ হাজার ৭৬৯ জন।

মাদ্রাসা/দাখিল বোর্ডের ফল

২০১৮ সালে দাখিলে পরীক্ষার্থী ছিলো ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪ জন। যার মধ্যে পাস করে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫১ জন। পাসের হার ছিলো ৭৬ দশমিক ২০ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাসের হার ছিলো ৮৮ দশমিক ২২ শতাংশ। ২০১৮ সালে পাসের হার কমে ১২ দশমিক ০২ শতাংশ।

২০১৮ সালে দাখিলে জিপিএ-৫ পায় ২ হাজার ৬১০ জন। ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৫ হাজার ৮৯৫ জন। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পায় ৩ হাজার ২৮৫ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল

২০১৭ সালে কারিগরিতে পরীক্ষার্থী ছিলো ১ লাখ ৬ হাজার ২৩৯ জন। যার মধ্যে পাস করে ৮৩ হাজার ৬০৩ জন। ২০১৮ সালে পাসের হার ছিলো ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাসের হার ছিলো ৮৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০১৭ সালে পাসের হার কমেছিলো ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ।

কারিগরিতে ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পায় ৪ হাজার ১৮৭ জন। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৭ হাজার ৯৭ জন। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ কম পেয়েছিলো ২ হাজার ৯১০ জন।

২০১৭ সালে ২ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তাত্ত্বিক বা লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৪ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হয় ১১ মার্চ।

২০১৬ সালের এসএসসি সমমান পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যানঃ

গতবার মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় ২০১৬ সালে গড় পাসের হার ছিলো ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। ২০১৫ সালে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। ২০১৫ সালের চেয়ে ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ দুই হাজার ১৪০ জন কম পায়।

Educations in BD ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel