HSC (BM) (2nd Year) 14th Week Assignment Solution 2021 এইচএসসি (বিএম) এসাইনমেন্ট ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২

The organization structure and its class division will have to be analyzed HSC (BM) Assignment 2021 Answer / Solution Business Organization and Management-2 (14th Week) Assignment-9 |  HSC (BM) (2nd Year) 14th Week Assignment Solution / Post Business Organization and Management-2 (Assignment 9) সংগঠন কাঠামো ও এর শ্রেণী বিভাগ বিশ্লেষণ করতে হবে | এইচএসসি (বিএম) এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর/সমাধান ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ (১৪তম সপ্তাহ) এসাইনমেন্ট -৯ | ২০২১ সালের এইচএসসি (বিএম) (২য় বর্ষ) ১৪তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান /উত্তর ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ (এসাইনমেন্ট ৯)

সংগঠন কাঠামো ও এর শ্রেণী বিভাগ বিশ্লেষণ করতে হবে
১ নং প্রশ্নের উত্তর

HSC (BM) (2nd Year) 14th Week Assignment Solution 2021 এইচএসসি (বিএম) এসাইনমেন্ট ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২

সংগঠন কাঠামো

বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস, সাথে ৫০ টাকা বোনাস একদম ফ্রী - Bkash App Download Link শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD.com এর ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

অভিপ্রেত উদ্দেশ্য অর্জনের নিমিত্তে কারবার প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য যে কাঠামো রচনা করা হয় , তাকে সংগঠন কাঠামো বলা হয় । সংগঠন কাঠামো একপ্রকার ব্যবস্থা বা হাতিয়ার।

একটি সংগঠন কাঠামোতে সংগঠনের সদস্যগণকে কোথায় কার ওপর কর্তৃত্ব করবে অর্থাৎ কর্মীদের কর্তৃত্ব রেখা সংগঠন কাঠামোতে পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে । এতে ঐকটা সাংগঠনিক অবয়ব সৃষ্টি হবে । ফলে প্রতিষ্ঠানের সদস্যগণ সংঘবদ্ধভাবে সাধারণ উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ লাভ করবে । সংগঠন কাঠামো পরিবর্তনশীল । পরিবেশ বা অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে এর সংগঠন কাঠামোতেও পরিবর্তন সূচিত হয় ।

অবশেষে বলা যায় যে , কোন প্রতিষ্ঠান সাংগঠনিক কাঠামোকে চিত্রের সাহায্যে বা লিখিত তালিকা আকারে সংগঠনের বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অবস্থানিক সম্পর্ক দেখানো হলে তখন তাকে সংগঠন কাঠামো বলা হয়।

২ নং প্রশ্নের উত্তর

সংগঠন প্রক্রিয়া হল এমন একটি প্রক্রিয়া , যার দ্বারা প্রতিষ্ঠান অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপায় – উপকরণাদি সুসংগঠিত করা হয় , কার্যাদিকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে সেগুলো সম্পাদনের নিমিত্তে দায়িত্ব কর্তৃত্ব গ্রহণ করা হয় এবং কার্যাদির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হয়।

সুনির্দিষ্ট নিয়ম কানুন ও পদ্ধতির উপর নির্ভর করে সংগঠন কাঠামো গড়ে ওঠে । সংগঠন কাঠামো চার প্রকার নিম্নে তা তুলে ধরা হলো :

(i) সরলরৈখিক সংগঠন : প্রতিষ্ঠানের সরলরেখার আকারে অবস্থিত পদসমূহকে ক্ষমতার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরস্পর সােিজয় যে কাঠামো তৈরি হয় তাকে সরলরৈখিক সংগঠন বলা হয়।

(ii) উপদেষ্টা সংগঠন : সরলরৈখিক নির্বাহীদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ কর্মী বা পদস্থ কর্মী সহযোগে যে নতুন ধরনের সংগঠন কাঠামো গড়ে তোলে , তাকে উপদেষ্টা সংগঠন বলা হয় ।

(iii) কার্যভিত্তিক সংগঠন : কাজ বিভাজনের মাধ্যমে সামগ্রিক কাজ সম্পাদন কে কার্যভিত্তিক সংগঠন বলা হয় ।

(IV) কমিটি সংগঠন : কমিটির হল কতিপয় ব্যক্তির একটি দল , যারা কিছু দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ । প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে অনেক সময় কোনো বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য কমিটি গঠিত হয়।

৩ নং প্রশ্নের উত্তর

“সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়নের বিবেচ্য বিষয়”

অভিপ্রেত ও উদ্দেশ্য অর্জনের নিমিত্তে কারবার প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য যে কাঠামো রচনা করা হয় , তাকে সাংগঠনিক কাঠামো বলা হয় । প্রতিষ্ঠানের আকার – আয়তন প্রভৃতি বিবেচনা করে সংগঠন কাঠামো রচনা করতে হয় । তবে একটা সার্থক সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়নে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে।

i ) উদ্দেশ্য ও নীতি নির্ধারণ : প্রতিষ্ঠানের সংগঠন কাঠামো প্রবর্তনের পূর্বে এর উদ্দেশ্য ও নীতি নির্ধারণ করতে হয় । এভাবে প্রতিষ্ঠিত নৈতিক ভিত্তি হিসেবে গণ্য করে প্রতিষ্ঠান প্রশাসনিক কার্য পরিচালিত হতে থাকে।

ii ) দক্ষতা: সংগঠনকে ন্যূনতম সামর্থ্য এবং সর্বনিম্ন ব্যয়ে পরিকল্পনার লক্ষ্য সমূহ অর্জন করাকে দক্ষতা নীতি বলা হয় । দক্ষতা অর্জন করাও সংগঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য ।

iii ) দায়িত্ব কর্তৃত্বের সমতা : সুষ্ঠুভাবে সংগঠনের কার্যনির্বাহের জন্য কোন একজনকে দায়িত্ব প্রদান করলে তাকে অবশ্যই সমপরিমাণ কর্তৃত্ব অর্পণ করতে হবে ।

(iv) জোড়া ম‍ই শিকল নীতি : সংগঠন কাঠামোতে কর্তৃত্ব রেখা স্পষ্ট রূপে বর্ণনা করতে হবে । অর্থাৎ সংগঠনের কে কোথায় অবস্থান করেছেন এবং কোন কর্মী কার নিকট জবাবদিহি করবেন তা যেন পরিষ্কার ভাবে ফুটে ওঠে এরূপ ব্যবস্থা থাকতে হবে । এটাই জোড়া মই – শিকল নীতি ।

v ) শ্রমবিভাগ : কর্মীদের দক্ষতা অর্জনের সুবিধার জন্য কাজের প্রকৃতি বিবেচনা করে বিভিন্ন বিভাগ সৃষ্টি করতে হয় । এতে কর্মীরা পারদর্শী ও বিশেষায়িত জ্ঞানের অধিকারী হতে পারবে ।

vi) সরলতা : সংগঠন কাঠামো সহজ – সরল হতে হবে , যাতে কর্মীদের অবস্থান এবং কর্তৃত্বের রেখা সহজ ভাবে বোঝা যায় ।

vi ) ভারসাম্য: সংগঠনের বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের মধ্যে কর্তৃত্বের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে ।

vili ) ব্যয় সংকোচন : সংগঠন কাঠামোতে ব্যয় সংকোচনের ব্যবস্থা থাকতে হবে ।

পরিশেষে বলা যায় যে , সংগঠন কাঠামো রচনায় উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে । তাহলেই প্রতিষ্ঠানের সফলতা অর্জিত হবে ।

৪ নং প্রশ্নের উত্তর

সরলরৈখিক সংগঠনের সুবিধা

যে সংগঠনের আদেশ – নিষেধ উপর থেকে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে আসে তাকে সরলরৈখিক সংগঠন বলা হয় ।

সরলরৈখিক সংগঠন এর বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো :

i ) সরলতা : অন্য যে কোনো সংগঠনের চেয়ে সরলরৈখিক সংগঠন পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ ও সরল । এতে কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সুনির্দিষ্ট গতি রেখা সৃষ্টি হয় । ফলে প্রতিটি কর্মী এ ধরনের সংগঠন সহজে বুঝতে পারে।

ii ) কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা : এ ধরনের সংগঠনের কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দ্বারা কার্য পরিষর নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে । ফলে কর্তৃত্ব হস্তক্ষেপ বা দায়িত্ব পালনে অন্যকে দোষারোপ করার অবকাশ থাকে না ।

iii ) দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ : উৰ্দ্ধতন নির্বাহীগণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী হন । উৰ্দ্ধতন নির্বাহীগণ যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ।

IV ) প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা : কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সুনির্দিষ্ট গতিরেখা থাকায় সরলরৈখিক সংগঠনে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায়।

VI) পদন্নতির পরিষ্কার রূপরেখা: সরলরৈখিক সংগঠনে কর্মীদের পদোন্নতির পরিষ্কার রূপরেখা প্রদান করা হয় । ফলে পদন্নতির উদ্যোগ সম্পর্কে অধীনস্থ অবগত থাকেন এবং আন্তরিক ও আগ্রহের সাথে কার্য সম্পাদন করেন ।

VI) কর্মী প্রেষণা : এই সংগঠনের পদন্নতির সিঁড়ির ধাপ সম্পর্কে কর্মীরা অবগত থাকে । তাই পদন্নতির আশায় নিষ্ঠা ও আগ্রহের সাথে তারা কার্যসম্পাদনের মনোনিবেশ করে ।

VII) নিয়ন্ত্রণ এর সুবিধা : সরলরৈখিক সংগঠন এ আদেশ ও নির্দেশ প্রদানের সুনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা এবং কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকায় কার্যাদির নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় ।

VIII) নির্বাহী প্রতিভার উন্নয়ন : এটি নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিভার উন্নয়নে সাহায্য করে । অধীনস্থ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দান করতে গিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটে । যা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে ব্যাপক ভাবে সহায়ক হয় ।

শিক্ষা নিউজ EducationsinBD.com সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel