মোবাইল নম্বর ট্র্যাকার বাংলাদেশ Mobile number Tracker Bangladesh

মোবাইল নম্বর ট্র্যাকার বাংলাদেশ বর্তমানের গতিময় বিশ্বে যেখানে মানুষ, যানবাহন এবং পণ্য সর্বদা চলাচলের মধ্যে থাকে, সেখানে ট্র্যাকিং আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আধুনিক জীবনে যেসব ক্ষেত্রে জিপিএসের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস‘ নামে একটি বিল্ট-ইন ফিচার রয়েছে। এই পরিষেবাটি ক্রমাগত গুগলের সার্ভারে আপনার ডিভাইসের অবস্থান পিং করে। যাতে গুগল জানতে পারে আপনার ফোনটি কোথায় আছে। এ ছাড়া আপনি গুগলের ওয়েব ইন্টারফেস ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে আপনার ডিভাইসটি কোথায় আছে তা দেখতে পারবেন। এই ফিচারটি ব্যবহারের জন্য আপনার একটি গুগল অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে।

অ্যান্ড্রয়েডে ফাইন্ড মাই ডিভাইস চালু করতে যা করতে হবে-

Setting > Passworad and Security > Privacy > Find My Device সিলেক্ট করুন। এরপর সেখান থেকে ফিচারটি চালু করুন।

এই সেটিংসটি ফোনভেদে ভিন্ন হতে পারে, আপনার ডিভাইসে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ ফিচারটি কোথায় অবস্থিত, তা বুঝতে না পারেন। তাহলে Setting খুলে ওপর থেকে সার্চ বারটি ব্যবহার করুন। আর ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ ফিচারটি শুধু একটি ট্র্যাকার নয়, এর মাধ্যমে আপনি দূর থেকেও আপনার ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

গুগল প্লে স্টোরে অনেকগুলো থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে। বেশিরভাগ ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশানগুলো, অ্যান্টি-থেফট এবং অ্যান্টি-লস সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে বিপণন করা হয়। আপনি সরাসরি ট্র্যাকিংয়ের জন্যও সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

লাইফ৩৬০: Life360 দিয়ে আপনি আপনার পরিবারের সদস্যদের ডিভাইস ব্যবহার করে কে কোথায় আছে তার খোঁজ রাখতে পারবেন। তবে আপনার ফোনটি হারিয়ে গেলে, আপনি চাইলে এর জিপিএস ব্যবহার করে তা ট্র্যাক করতে পারেন।

এটি অভিভাবকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক, কারণ তারা তাদের সন্তানরা কোথায় রয়েছে তা ট্র্যাক করতে পারে। এর একমাত্র নেতিবাচক দিক হলো অ্যাপটিতে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’-এর মতো হারিয়ে যাওয়া ডিভাইস লক করা বা ডেটা মুছে ফেলার ফিচার নেই।

প্রে
ব্যবহারিকভাবে, প্রে অনেকটা ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’-এর মতই। এর বড় সুবিধা হলো এটি উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স এবং আইফোনসহ একাধিক প্ল্যাটফর্মজুড়ে পাওয়া যায়। তাই আপনি যেকোনো জায়গা থেকে আপনার সব ডিভাইস ট্র্যাক করতে পারবেন।

ফ্যামিলি অরবিট

এটি এমন একটি জিপিএস ট্র্যাকার প্রযুক্তি যা আপনি আপনার পরিবারকে রক্ষা করতে ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি বহুমুখী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন যা আপনি আপনার পুরানো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিকে একটি জিপিএস ট্র্যাকারে পরিণত করতেও ব্যবহার করতে পারেন৷ প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অ্যাপটি অভিভাবককে তার সন্তানের অবস্থান এবং ফোনের ক্রিয়াকলাপ নিরীক্ষণ করতে দেয়।

Itel Mobile Customer Service Center Showroom List in BD

এমট্র্যাকার জিপিএস ফোন ট্র্যাকার

এই অ্যাপ্লিকেশনটিতে, আপনি যে ডিভাইসটি ট্র্যাক করতে চান তার ফোন নম্বর প্রয়োজন হয়। এই অ্যাপের কিছু কার্যকারিতার মধ্যে রয়েছে, শুধু ফোন নম্বর ব্যবহার করে লাইভ লোকেশন দেখানো। অ্যাপটি বর্তমান শহর, রাজ্য এবং দেশ, অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশের মতো অবস্থানের বিবরণগুলো সংগ্রহ করে।

ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে আপনি ফোনের IMEI নম্বর দিয়ে তা খুঁজে পেতে পারেন। এই নম্বরের সাহায্যে সহজেই ফোন ট্র্যাক করা যায়। এ জন্য আপনাকে IMEI ফোন ট্র্যাকার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন এই অ্যাপ। এবার জানা যাক, IMEI নম্বর জানবেন কীভাবে। যে বাক্সয় ফোন দেওয়া হয়েছে, তাতে ছাপা বার কোডের ওপর লেখা থাকে এই নম্বর। এই নম্বর ১৫ সংখ্যার হয়। কী এই IMEI নম্বর? IMEI-এর ফুল ফর্ম ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি। ১৫ সংখ্যার এই নম্বর ফোনের আইডেন্টিটি সার্টিফিকেট। IMEI নম্বর বদলানো যায় না। তাই কোথাও লিখে রাখুন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নম্বর।

আপনি নিজেই যা করবেন

অন্য কোনো স্মার্টফোন বা পিসি থেকে গুগলে ফাইন্ড মাই ফোন (Find my phone) লিখুন।

  • গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইনইন করুন। যে ফোন হারিয়েছে, সে ফোনে ব্যবহৃত গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইনইন করতে হবে।
  • গুগল আপনাকে আপনার ডিভাইসের সর্বশেষ অবস্থান জানিয়ে দেবে।

  • আপনার ফোনের অবস্থান শনাক্ত হলে আপনি তা দূরে থেকে কল দিতে পারেন। এ জন্য প্লে সাউন্ড অপশনে ক্লিক করতে হবে। ফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেট মোডে থাকলেও এতে ৫ মিনিট পূর্ণ ভলিউমে শব্দ হবে। অবশ্য যদি ফোনটি চুরি হয়ে থাকে তবে শব্দ না করে দূর থেকে ফোন লক করে দিতে পারেন।

Nokia Mobile Phone Customer Service List Has Been Updated a New Nokia Mobile Phone  Care Center Website. Nokia Mobile Phone Mobile Phone.
Mobile Phone IMEI Registration Process in Bangladesh

ফোন লক করতে হলে

আপনি যদি হারানো ফোনটি দূর থেকে লক করতে চান, তবে আপনাকে শুরুতে অন্য ফোন থেকে android.com/find এখানে যেতে হবে। এতে হারানো ফোনে ব্যবহৃত গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইনইন করতে হবে। আপনি যদি একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন, তবে যে ডিভাইসটি হারিয়েছে, তা নির্বাচন করতে হবে। একাধিক প্রোফাইল থাকলে মূল প্রোফাইল ব্যবহার করে তাতে সাইনইন করতে হবে। ডিভাইস খুঁজে পাওয়া না গেলেও এর সর্বশেষ অবস্থান আপনি জানতে পারবেন।

এখানে আপনি Enable lock & erase অপশনে ক্লিক করে ফোনে লক করে দেওয়ার সুবিধা পাবেন। চাইলে ফোনে আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন লক দিতে পারবেন। লক স্ক্রিনে বার্তা বা ফোন নম্বর দেখাতে পারবেন। মুছে ফেললে আপনার ডিভাইসে যত ডেটা আছে, তা মুছে যাবে। কিন্তু এসডি কার্ডের তথ্য মুছবে না। তবে তথ্য মুছে দিলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস অপশনটি আর কাজ করবে না।

মনে রাখতে হবে, Find my phone অপশনটি কেবল ফোন চালু থাকলে এবং তাতে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকলে তবেই কাজ করবে। তাই যাঁরা হুটাহাট ফোন হারিয়ে ফেলেন, তাঁরা গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ফোনে লগইন করার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় থাকবেন। লোকেশন ও ফাইন্ড মাই ডিভাইস অপশন চালু রাখবেন।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD.com এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নোটিশ দেখুন এখানে একসাথে National University Notice Board আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন Facebook Group