সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আবারো বাড়ানো হয়েছে

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আবারো বাড়ানো হয়েছে। সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে ৬ দফা সাধারণ ছুটি বাড়ানো হল।। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে ছুটির মেয়াদ আগামী ৩০মে পর্যন্ত বাড়ছে। তবে যেসব অফিস খুবই প্রয়োজন, সেগুলো চালু থাকবে।

আজ বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৬ এপ্রিল থেকে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হবে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যেহেতু ৬ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি আছে, সেহেতু ওইদিন সরকারি ছুটি থাকবেই। তবে ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির নোটিশ হবে। এ সময়ের মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে কিছু মন্ত্রণালয় খোলা থাকবে বলেও জানান তিনি।

আগামী ১৬ মে শেষ হচ্ছে পঞ্চম দফা ছুটির মেয়াদ। ১৭ থেকে ২০ মে মোট চার দিন কর্ম দিবস। ২১ মে পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি। ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার শনিবার। ২৪ থেকে ২৬ মে ঈদুল ফিতরের ছুটি। আবার ২৭ ও ২৮ মে দুইদিন কর্ম দিবস। এর পরের দুই দিন আবার সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র শনিবার।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে EducationsinBD এর চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস!সাথে আছে আরো অ্যাপ অফার: - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস .সর্বমোট ১৫০ টাকা বোনাস পাবেন একজন বিকাশ গ্রাহক। এছাড়া যারা একাউন্ট খুলেছেন তারাও বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! Bkash App Download Link

এদিকে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ৩০মে পর্যন্ত বাড়ানো নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ঘােষিত সাপ্তাহিক ছুটি ও সাধারণ ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল এবং ১৯ হতে ২৫ এপ্রিল, ১৬ মে ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। সাধারণ ছুটির সাথে সাপ্তাহিক ছুটিও সংযুক্ত থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের মহামারীর প্রভাবে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চতুর্থ দফা ছুটি বাড়ানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়ে ছিলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় এই ছুটির মেয়াদ বাড়তে পারে।

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আবারো বাড়ানো হয়েছে

দেশে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তের পরীক্ষা বাড়ছে, বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। এই পরিস্থিতিতে চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়াল সরকার। গত ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসে সরকার। এরপর ৩ দফায় ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে ১০ এপ্রিল ৪র্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। চতুর্থ দফার ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করােনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রশমনে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। সন্ধ্যা ০৬:০০ ঘটিকার পর কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এ নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অতীব জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত ঘরের বাইরে বের না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে৷ এলাকা হতে অন্য এলাকায় চলাচল কঠোরভাবে সীমিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে৷

এদিকে বিভাগ/জেলা/ উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার কথা বলা হয়েছে। জনগণের প্রয়ােজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। জরুরি প্রয়ােজনে অফিসসমূহ খােলা রাখা যাবে। প্রয়ােজনে ঔষধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে।

জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। কৃষি পণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানী, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্য প্রয়ােজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ঔষধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। বিরাজমান পরিস্থিতির উন্নতি হলে মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিক্সা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।

এদিকে বাংলাদেশে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ৩০মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাতিল করা হয় ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষাও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানা যেগুলো খুব প্রয়োজন, সেগুলো চালু রাখতে পারে। তবে যোগাযোগটা একটু আটকে রাখতে হবে। পরিবহনশ্রমিক, দিনমজুরদের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য জেলা প্রশাসকদের কাছে আরেকটি বরাদ্দ পৌঁছে দেওয়া হবে।

আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel